এরদোগানের প্রশংসায় ভরপুর বাংলাদেশের অনলাইন মাধ্যম ও মিডিয়া

1

জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহীদ মাওঃ মতিউর রহমান নিজামীকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেয়ার পর তুরস্ক বাংলাদেশ থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছে। অন্যায়ভাবে ফাঁসির প্রতিবাদে  তুরস্কের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশীরা ফেসবুকে  ইভেন্ট খুলেছে (https://www.facebook.com/events/599521586880354/)

সরকার যখন মাওলানা নিজামীর ফাসিঁ কার্যকর করে তখন গতকাল আনকারার এক রাজনৈতিক কনফারেন্সে চরম দু:খ প্রকাশ করে বলেন, ” মতিউর রহমান নিজামীর ফাসির কারনে অনেক দু:খ পেয়েছি। একজন রাজনৈতিক নেতা এ ধরনের শাস্তি কিংবা মৃত্যুদন্ড দেওয়ার মত কোন অপরাধ করেছে বলে আমরা বিশ্বাস করিনা।এরদোয়ান বাংলাদেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভবিষত্যের জন্য সরকার আরো ভেবে চিন্তে ও সতর্কতার সাথে প্রদক্ষেপ গ্রহন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন” তিনি আরো বলেন, “সারা বিশ্বের মুসলমানদের যখন দু:খগ্রস্থ ও মজলুম অবস্থায় দিন কাটছে তখন বাংলাদেশের মত একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে এ ধরনের ঘটনা আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি”।

2

এরদোয়ান নিজামীর শাহাদাত কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া ও রহমত কামনা করেন এবং বিশ্বের সকল মুসলমানদেরকে ধৈর্য্য ধরার আহবান জানান।বক্তব্যের শেষ প্রান্তে এরদোয়ান নিজামীর শাহাদাত পূর্ব ওসিয়ত পড়ে শোনান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত তার্কিশ দূতকে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে অবহিত করেন।

3

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এ ভূমিকার কারনে তুরস্কের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে মাওলানা নিজামীর শাহাদাত এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। তুরস্কের বিভিন্ন সংগঠন গায়েবানা জানাজা ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করছে। যাতে যুব সমাজের বিপুল উপস্থিতি সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয়। তুরস্কের বড় বড় সাংবাদিকরা বিশেষ কলাম লিখছেন এবং টকশোগুলোতে প্রতিবাদের ঝড় তুলছেন। ধর্মীয় বক্তারা বিবৃতি দিচ্ছেন, কথা বলছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং বাংলাদেশের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে

4

ওআইসির সভাপতি ও তুরস্কের মত প্রভাবশালী একটি দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ায় এরদোয়ানের বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ গুরুত্ব সহকারে স্থান পেয়েছে। বয়টার্স, বিবিসি ইত্যাদি মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাদের উদ্বেগ ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।

5

বাংলাদেশের ইসলাম প্রিয় সাধারন মানুষ এরদোয়ানের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে লাখ লাখ পোস্ট ও টুইট হয়েছে। এসব পোস্ট ও টুইটে ইসলাম প্রিয় জনতার বক্তব্য, “এরদোয়ান তাদের মনের মাঝে জমিয়ে রাখা আবেগগুলো আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশ করেছে”. এজন্য এরদোয়ানের জন্য তারা বিশেষ দোয়া করেন এবং তার ঐতিহাসিক এই ভূমিকা বাংলার মানুষ আজীবন স্বরণ রাখবে বলে উল্লেখ করেন।

‪#‎ThankUErdoğan‬ ‪#‎ThankUTurkey‬
‪#‎WeAreNizami‬

Advertisements

10 thoughts on “এরদোগানের প্রশংসায় ভরপুর বাংলাদেশের অনলাইন মাধ্যম ও মিডিয়া

Add yours

  1. এরদোগানের দুঃখ দেখে আমি লজ্জিতঃ তিনি মূর্খ -ইতিহাস পড়েন না। তিনি ভয়ঙ্কর একজন লোক যিনি বাংলাদেশের ৩০ লক্ষ শহীদের কথা জেনে শুনে অস্বীকার করেছেন, সাধারণ মানুষ দের নির্যাতন ও গণহত্যা সমর্থন করেছেন। উনার কথায় মনে হল ঃবাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ বলে কিছুই ঘটে নাই ১৯৭১ সালে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সুশৃঙ্খল ভাবে বাংলাদেশের মানুষকে শৃঙ্খলা – আদব কায়দা শিখিয়েছে। জামাত মানুষ কে ধর্মীয় জ্ঞান বিতরণ করেছে। তাই দেখে বাংলাদেশের জনগন আত্মহত্যা করেছে। তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে এরদোগানের প্রতিবাদ করছি। ধিক্কার জানাচ্ছি।

    Like

  2. Erdogan supported genocide? So express my deepest hate and regret
    to him. The Turkey people should not support such a bad man

    Like

  3. At last, now we are feeling that we (Muslims) have a leader who can feel the pain of other Muslims brothers. He shows the world that we are one Ummah like a single body. Salute you Erdugan.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Create a free website or blog at WordPress.com.

Up ↑

%d bloggers like this: